শিশুর কোমল ত্বকের জন্য প্যারাবেন-মুক্ত বেবি লোশন, টিয়ার-ফ্রি শ্যাম্পু, নারকেল-আমন্ড ম্যাসাজ অয়েল ও স্ট্যান্ডসহ বাথ টাব। প্রতিটি পণ্যে ব্যবহারের নিয়ম ও সতর্কতা দেওয়া আছে।
৬টি পণ্য
শিশুর ত্বক বড়দের চেয়ে পাতলা, তাই কম পণ্য আর মৃদু পণ্যই ভালো। প্রথম কয়েক সপ্তাহে নবজাতকের ত্বক নিজেই খোসা ছাড়ে; তখন হালকা গরম পানিই সাধারণত যথেষ্ট।
• শ্যাম্পু: সপ্তাহে ২–৩ বার, মটরদানার মতো অল্প পরিমাণ; টিয়ার-ফ্রি হলে চোখে জ্বালা কম • লোশন: গোসলের পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকতে, বিশেষ করে শীতে ও এসি ঘরে • ম্যাসাজ অয়েল: গোসলের আগে বা পরে ১০–১৫ মিনিটের হালকা মালিশ • সাবান বা বেবি ওয়াশ: শুধু ময়লা জায়গায়, পুরো শরীরে প্রতিদিন দরকার নেই
সুগন্ধি কম বা নেই, প্যারাবেন-মুক্ত, এবং লেবেলে উপাদানের তালিকা আছে এমন পণ্য বেছে নিন। পরিবারে বাদামে অ্যালার্জি থাকলে আমন্ড তেলযুক্ত পণ্যের আগে চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করুন।
যেকোনো নতুন পণ্য প্রথমবার হাতের ছোট জায়গায় লাগিয়ে ২৪ ঘণ্টা দেখুন। লাল ভাব, ফুসকুড়ি বা চুলকানি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন। একজিমা বা দীর্ঘস্থায়ী র্যাশ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নতুন পণ্য ব্যবহার করবেন না।
টাবে ৫–৮ সেন্টিমিটারের বেশি পানি দেবেন না, কনুই দিয়ে তাপ পরীক্ষা করুন, আর গোসলের সময় শিশুকে এক মুহূর্তের জন্যও একা রাখবেন না।
মৃদু, সুগন্ধি কম ও প্যারাবেন-মুক্ত পণ্য, যেগুলো আপনার শিশুর ত্বকে প্যাচ টেস্টে সমস্যা করে না। বেশি পণ্য নয়, ঠিক পণ্যই যথেষ্ট।
প্রথম কয়েক সপ্তাহে সাধারণত দরকার নেই। ত্বক শুকনো বা ফাটা মনে হলে অল্প লোশন দিন।
মালিশের জন্য অয়েল, গোসলের পর আর্দ্রতার জন্য লোশন। গরমে অনেকের ক্ষেত্রে হালকা লোশনই যথেষ্ট।
স্বাস্থ্যবিধির কারণে খোলা স্কিনকেয়ার পণ্য ফেরত নেওয়া হয় না; ত্রুটিপূর্ণ হলে বদলে দেওয়া হয়।